• ৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, সোমবার ১৮ মে ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Jammu And Kashmir

দেশ

জম্মুতে চাঞ্চল্য! প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ফারুখ আবদুল্লাকে লক্ষ্য করে গুলি, অল্পের জন্য রক্ষা

জম্মুতে এক বিয়ের অনুষ্ঠানে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ফারুখ আবদুল্লাকে লক্ষ্য করে গুলি চালানোর অভিযোগ ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে গিয়েছেন তিনি। ইতিমধ্যেই অভিযুক্ত ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশ।জানা গিয়েছে, বুধবার রাতে জম্মুর গ্রেটার কৈলাস এলাকায় একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে গিয়েছিলেন ফারুখ আবদুল্লা। সেখানে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের উপমুখ্যমন্ত্রী সুরেন্দ্র চৌধুরীও। সেই সময় খুব কাছ থেকে তাঁকে লক্ষ্য করে গুলি চালানো হয় বলে অভিযোগ।ঘটনার একটি সিসিটিভি ফুটেজ সামনে এসেছে। ফুটেজে দেখা যাচ্ছে, নিরাপত্তা ঘেরাটোপে বিয়েবাড়ি থেকে বেরিয়ে আসছেন ফারুখ আবদুল্লা। ঠিক সেই সময় পিছন দিক থেকে নিরাপত্তার মধ্যে ঢুকে পড়ে এক ব্যক্তি। এরপর খুব কাছ থেকে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়।তবে ন্যাশনাল সিকিউরিটি গার্ডের কমান্ডোরা দ্রুত তাঁকে ধাক্কা দিয়ে সরিয়ে দেন। ফলে গুলিটি তাঁর কানের পাশ দিয়ে বেরিয়ে যায়। নিরাপত্তারক্ষীদের তৎপরতায় অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে যান তিনি। সঙ্গে সঙ্গেই ফারুখ আবদুল্লা এবং রাজ্যের উপমুখ্যমন্ত্রীকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়।ঘটনার পর ওই ব্যক্তি পালানোর চেষ্টা করলে নিরাপত্তারক্ষীরা তাকে আটক করেন। পরে পুলিশ এসে তাকে গ্রেফতার করে। অভিযুক্তের নাম কমল সিং জমওয়াল বলে জানা গিয়েছে।পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার সময় অভিযুক্ত ব্যক্তি নেশাগ্রস্ত অবস্থায় ছিলেন। জেরায় তিনি দাবি করেছেন, গত প্রায় কুড়ি বছর ধরে তিনি ফারুখ আবদুল্লাকে হত্যার চেষ্টা করে আসছেন। এটি তাঁর ব্যক্তিগত উদ্দেশ্য বলেও জানিয়েছেন তিনি। তাঁর কাছে যে বন্দুকটি ছিল সেটিও তাঁর নিজের এবং লাইসেন্সপ্রাপ্ত বলে দাবি করেছেন অভিযুক্ত।এই ঘটনায় আরও কেউ জড়িত আছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। এত কড়া নিরাপত্তা থাকা সত্ত্বেও কীভাবে হামলাকারী এত কাছে পৌঁছে গেল, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। এই ঘটনার পর নিরাপত্তা ব্যবস্থার উপর নতুন করে প্রশ্ন তুলেছেন জম্মু ও কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লা। পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

মার্চ ১২, ২০২৬
দেশ

কাশ্মীরে তুমুল গুলির লড়াই, যৌথ বাহিনীর অভিযানে খতম দুই জঙ্গি

রবিবার জম্মু ও কাশ্মীরের পাহাড়ি এলাকায় বড়সড় সন্ত্রাস দমন অভিযান চালাল যৌথ বাহিনী। কিস্তওয়ার জেলার ছাতরু অঞ্চলে জঙ্গিদের উপস্থিতির খবর পেয়ে সেনা, জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশ এবং সিআরপিএফ যৌথভাবে অভিযান শুরু করে। এখনও এলাকায় তল্লাশি ও নিরাপত্তা অভিযান চালানো হচ্ছে।গোয়েন্দা সূত্রে খবর ছিল, পার্বত্য এলাকার একটি মাটির বাড়ির ভিতরে জঙ্গিরা লুকিয়ে রয়েছে। সেই তথ্যের ভিত্তিতেই যৌথ বাহিনী এলাকায় পৌঁছলে আড়াল থেকে গুলি চালাতে শুরু করে জঙ্গিরা। পাল্টা জবাব দেয় নিরাপত্তা বাহিনী। দীর্ঘক্ষণ গুলির লড়াইয়ের পর দুই জঙ্গিকে নিকেশ করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।অভিযানে নিহত জঙ্গিদের কাছ থেকে একে সাতচল্লিশ রাইফেল সহ একাধিক আধুনিক অস্ত্র উদ্ধার হয়েছে। প্রাথমিকভাবে জানা যাচ্ছে, নিহতদের মধ্যে একজন জইশ ই মহম্মদ এর শীর্ষ কমান্ডার। তার পরিচয় যাচাইয়ের কাজ চলছে।নিরাপত্তা বাহিনীর তরফে জানানো হয়েছে, দেশের শান্তি ও নিরাপত্তা নষ্ট করার চেষ্টা করলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। উল্লেখ্য, গত এক মাসে ছাতরু জঙ্গলে একাধিক সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে এবং নিরাপত্তা বাহিনী নিয়মিত অভিযান চালাচ্ছে।

ফেব্রুয়ারি ২২, ২০২৬
দেশ

তুষারে ঢাকা পাহাড়ে এনকাউন্টার, কিস্তওয়ারে খতম পাক জঙ্গি আদিল

কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের জম্মু-কাশ্মীর সফরের আগেই বড় সাফল্য পেল নিরাপত্তাবাহিনী। কিস্তওয়ার ও উধমপুরে পৃথক সংঘর্ষে জইশ-ই-মহম্মদের তিন জঙ্গি নিহত হয়েছে। তাদের মধ্যে একজন আদিল, যাকে দীর্ঘদিন ধরে খুঁজছিল নিরাপত্তাবাহিনী। বাহিনী সূত্রে জানা গিয়েছে, আদিল পাকিস্তানের নাগরিক এবং জঙ্গি সংগঠন লস্করের শীর্ষ নেতা সইফুল্লার ঘনিষ্ঠ সহযোগী ছিল।নিরাপত্তাবাহিনী সূত্রে খবর, গত ১৮ মাস ধরে আদিলকে ধরার চেষ্টা চলছিল। একাধিকবার অভিযান হলেও সে প্রতিবারই পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছিল। বুধবার সন্ধ্যায় কিস্তওয়ার জেলার তুষারাবৃত চাতরু এলাকায় নির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালানো হয়। এলাকা ঘিরে ফেলে গুলির লড়াইয়ের পর আদিলকে খতম করা হয়। এক নিরাপত্তা আধিকারিক জানান, প্রায় ২০ বার ধরা পড়ার মুখ থেকেও পালিয়ে গিয়েছিল আদিল, তবে এবার আর রেহাই পায়নি।এর আগে বুধবার সকালেই উধমপুর জেলায় একটি গুহায় আটকে পড়া জইশের দুই কমান্ড্যান্টের মৃত্যু হয়। ওই দুই জঙ্গির নাম রুবানি ওরফে আবু মাভিয়া এবং তার সহযোগী জুবায়ের। বাহিনীর সঙ্গে প্রায় ২০ ঘণ্টা ধরে তাদের গুলির লড়াই চলে। সকালে গুহার ভিতর থেকে একাধিক বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়। পরে দেখা যায়, গুলিবিদ্ধ অবস্থায় পড়ে রয়েছে ওই দুই জঙ্গির দেহ।এই অভিযানে একটি এম-৪ কার্বাইন, একটি একে অ্যাসল্ট রাইফেল, তিনটি গ্রেনেড এবং বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও বিস্ফোরক উদ্ধার করা হয়েছে। অভিযানে কাউন্টার ইনসার্জেন্সি ফোর্স ডেল্টা, হোয়াইট নাইট কোর, জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশ এবং সিআরপিএফ যৌথভাবে অংশ নেয়।আদিল নিহত হওয়ার পর এবার লস্কর নেতা সইফুল্লার খোঁজে তল্লাশি আরও জোরদার করা হয়েছে। বাহিনী সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রায় দুই বছর আগে পাকিস্তান থেকে সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে ঢোকে সইফুল্লা। এরপর কিস্তওয়ার ও দোদা এলাকায় একাধিক জঙ্গি হামলার সঙ্গে সে জড়িত বলে অভিযোগ। এখনও উপত্যকার বিভিন্ন এলাকায় ড্রোনের সাহায্যে নজরদারি চালানো হচ্ছে এবং তল্লাশি অভিযান চলছে।

ফেব্রুয়ারি ০৫, ২০২৬
দেশ

সাধারণতন্ত্র দিবসের আগেই বড় সাফল্য! বিল্লাওয়ারে খতম জইশ জঙ্গি

জম্মু-কাশ্মীরে নিরাপত্তা বাহিনীর যৌথ অভিযানে নিহত হল এক জইশ-ই-মহম্মদ জঙ্গি। শুক্রবার নিরাপত্তা বাহিনী জানিয়েছে, কাঠুয়া জেলার বিল্লাওয়ার এলাকায় জম্মু-কাশ্মীর পুলিশ, সেনা এবং সিআরপিএফ একসঙ্গে অভিযান চালায়। সেই অভিযানেই ওই পাক জঙ্গির মৃত্যু হয়েছে।উল্লেখ্য, কয়েক দিন আগেই বিভিন্ন গোয়েন্দা রিপোর্টে দাবি করা হয়েছিল, সাধারণতন্ত্র দিবসের আগে উপত্যকায় জঙ্গি নাশকতার আশঙ্কা রয়েছে। সেই সংক্রান্ত কিছু নির্দিষ্ট তথ্য নিরাপত্তা সংস্থার হাতে আসে। এর পর থেকেই জম্মু-কাশ্মীর জুড়ে তল্লাশি অভিযান আরও জোরদার করা হয়। তারই ফল হিসেবে বিল্লাওয়ারে এই সাফল্য মিলেছে বলে মনে করা হচ্ছে।নিরাপত্তা বাহিনী সূত্রে খবর, প্রায় দশ দিন আগেই বিল্লাওয়ার এলাকায় জঙ্গিদের একটি গোপন আস্তানার সন্ধান পাওয়া গিয়েছিল। তারপর থেকেই বিভিন্ন জায়গায় লাগাতার তল্লাশি চলছিল। সেনার দাবি, গোপন সূত্রে খবর পাওয়ার পরই শুক্রবার নির্দিষ্ট এলাকায় অভিযান চালানো হয়। এক জঙ্গি সেখানে আত্মগোপন করে রয়েছে এমন তথ্য মিলতেই গোটা এলাকা ঘিরে ফেলে বাহিনী। ফলে অভিযানের সময় পালানোর কোনও সুযোগ পায়নি ওই জঙ্গি।একই সঙ্গে কিশ্তওয়ার জেলার পাহাড়ি জঙ্গল এলাকাতেও সেনার অভিযান চলছে। সেনা সূত্রে জানা গিয়েছে, যে এলাকায় জঙ্গিরা লুকিয়ে রয়েছে বলে সন্দেহ করা হচ্ছে, সেটি গভীর জঙ্গল ও খাড়া পাহাড়ে ঘেরা। সেখানে সইফুল্লা ও আদিল নামে দুই জইশ জঙ্গি আত্মগোপন করে রয়েছে বলে খবর মিলেছে। সেই তথ্যের ভিত্তিতেই অভিযান শুরু হয়েছে।উল্লেখ্য, চার দিন আগে কিশ্তওয়ারে জঙ্গিদের সঙ্গে গুলির লড়াইয়ে ভারতীয় সেনার এক জওয়ান শহিদ হন। সেই ঘটনার পর কিশ্তওয়ারে অভিযান আরও তীব্র করা হয়েছে। তল্লাশি চালিয়ে সেনা জঙ্গিদের একটি গোপন ডেরারও খোঁজ পেয়েছে। গাছের আড়ালে এমন ভাবে বাঙ্কার তৈরি করা হয়েছিল যে, বাইরে থেকে তা চিহ্নিত করা প্রায় অসম্ভব। বাঙ্কারটি এমন কৌশলে বানানো, যাতে উল্টো দিক থেকে হামলা হলেও সহজে প্রতিরোধ করা যায়।

জানুয়ারি ২৩, ২০২৬
দেশ

কাশ্মীরে সন্ত্রাস দমনে ‘বড় সাফল্য’—২৩ বছরের পুরনো মামলার প্রধান অভিযুক্ত গ্রেপ্তার

জম্মু ও কাশ্মীর থেকে সন্ত্রাসবাদকে সম্পূর্ণ উপড়ে ফেলতে বড় পদক্ষেপ নিল নিরাপত্তাবাহিনী। প্রায় তিন দশক পুরনো একটি মামলায় অবশেষে গ্রেপ্তার করা হয়েছে উপত্যকার বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতা জাভেদ মিরকে। ১৯৯৬ সালে শ্রীনগরে ভয়াবহ হিংসার ঘটনায় তিনি অভিযুক্ত ছিলেন। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, জাভেদ কাশ্মীরে সন্ত্রাসী কার্যকলাপের মূল মাথা ইয়াসিন মালিকের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ সহযোগী।১৯৯৬ সালের ঘটনায় অভিযোগ, কাশ্মীরের এক বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠনের মৃত কমান্ডারের দেহ নিয়ে শ্রীনগরে মিছিল করছিলেন জাভেদ ও তাঁর সঙ্গীরা। নাজ ক্রসিং এলাকায় সেই মিছিল হঠাৎই চরম উগ্র হয়ে ওঠে এবং পুলিশের উপর হামলা চালানো হয়। জাভেদের নেতৃত্বেই সেই হামলা হয়েছিল বলে দাবি পুলিশের। সেই সময় বহু পুলিশকর্মী গুরুতর জখম হন। এই ঘটনাতেই জাভেদের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের হয়েছিল এবং শেষ পর্যন্ত সেই মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে তাঁকে।পুলিশের দাবি, ৯০-এর দশকে জম্মু ও কাশ্মীর লিবারেশন ফ্রন্ট (JKLF)-এর শীর্ষ কমান্ডারদের অন্যতম ছিলেন জাভেদ মির। উপত্যকাজুড়ে একাধিক সন্ত্রাসবাদী হামলার সঙ্গে তাঁর সরাসরি যোগ ছিল। সংগঠনের প্রধান ইয়াসিন মালিকের অত্যন্ত বিশ্বাসভাজন বলেও মনে করা হয় তাঁকে। ইয়াসিন মালিক বর্তমানে বায়ুসেনার চার কর্মীকে খুনের মামলায় কারাবন্দি। ২০১৯ সালে পুলওয়ামা হামলার পর কেন্দ্র সরকার JKLF-কে নিষিদ্ধ ঘোষণা করে।এদিকে, গত সোমবার এই একই মামলায় শ্রীনগর পুলিশ আর এক বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতা শাকিল আহমেদ বকশিকেও গ্রেপ্তার করেছে। যদিও JKLF অস্ত্র ছাড়ার ঘোষণা করেছিল, তার পরেও জাভেদ মির বিচ্ছিন্নতাবাদী রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন বলে অভিযোগ। ২০১৯ সালে ৩৭০ ধারা বাতিল হওয়ার পর তিনি গা ঢাকা দিয়ে ছিলেন বলে পুলিশের দাবি।

ডিসেম্বর ১০, ২০২৫
দেশ

দিল্লি বিস্ফোরণের সূত্র ধরে নতুন করে চাঞ্চল্য! কাশ্মীরের একাধিক জায়গায় একযোগে NIA হানা

সোমবার ভোররাতেই জম্মু-কাশ্মীরের পুলওয়ামা, শোপিয়ান এবং কুলগাম জেলার আটটি এলাকায় একযোগে অভিযান চালায় জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা এনআইএ। হঠাৎ এই অভিযানে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়ায় গোটা এলাকায়। তদন্তকারীদের সূত্রে জানা গিয়েছে, দিল্লিতে হওয়া সাম্প্রতিক বিস্ফোরণের সঙ্গে যুক্ত একটি হোয়াইট কলার টেরর মডিউল-এর খোঁজেই এই তল্লাশি অভিযান।সংবাদমাধ্যমের রিপোর্ট অনুযায়ী, শোপিয়ানে মৌলবী ইরফান আহমেদ ওয়াগের বাড়িতেও তল্লাশি চালান এনআইএ আধিকারিকরা। এই মৌলবীকে গত অক্টোবর মাসে গ্রেফতার করা হয়েছিল। বর্তমানে সে এনআইএর হেফাজতেই রয়েছে। তদন্তকারীদের অনুমান, দিল্লি বিস্ফোরণ থেকে শুরু করে দেশের বিভিন্ন জায়গায় ছড়িয়ে থাকা হোয়াইট কলার টেরর নেটওয়ার্কের মূল মাথা সে-ই হতে পারে।এছাড়াও শ্রীনগরে জইশের পোস্টার ছড়ানোর ঘটনায় অভিযুক্ত আদিল র্যাদারের বাড়িতেও তল্লাশি চালানো হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।তদন্তকারীদের দাবি, দিল্লি বিস্ফোরণের ঘটনায় জঙ্গি যোগাযোগের বিষয়টি অনেকটাই স্পষ্ট। ধৃত কয়েকজন চিকিৎসকের প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ ভাবে পাকিস্তানভিত্তিক জঙ্গি সংগঠন জইশ-ই-মহম্মদের সঙ্গে যোগ থাকতে পারে বলে প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে। এই সূত্র ধরেই রবিবার দিল্লি পুলিশের বিশেষ সেল আরও তিন জনকে গ্রেফতার করেছে।পুলিশ সূত্রের দাবি, ধৃতদের সঙ্গে পাকিস্তানের গুপ্তচর সংস্থা আইএসআই-এর যোগাযোগ থাকতে পারে। সংবাদসংস্থার খবর অনুযায়ী, পঞ্জাব, মধ্যপ্রদেশ এবং উত্তরপ্রদেশ থেকে এই তিন সন্দেহভাজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। দিল্লি পুলিশের বিশেষ সেলের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, ধৃতদের সঙ্গে সম্ভবত পাকিস্তানি গুপ্তচর শেহজাদ ভাটির যোগ রয়েছে। গোটা ঘটনার তদন্ত এখনও চলছে।

ডিসেম্বর ০১, ২০২৫
দেশ

দিল্লি বিস্ফোরণের আগেই ‘সুইসাইড বোমার’ হওয়ার প্রস্তুতি! জেরায় ফাঁস দানিশের চাঞ্চল্যকর স্বীকারোক্তি

দিল্লি বিস্ফোরণ-কাণ্ডে নয়া মোড়। আত্মঘাতী হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেনএমনই সন্দেহে পাকড়াও করা হল উমরের ঘনিষ্ঠ সহযোগী জাশির বিলাল ওয়ানিকে, যাঁকে দানিশ নামেই চিনত গোটা শ্রীনগর। এনআইএ-র একটি বিশেষ দল গোপন সূত্রের খবরের ভিত্তিতে প্রথমে তাঁকে শ্রীনগরেই আটক করে। পরে জেরা চলতে থাকতেই উঠে আসে বিস্ফোরণের দিনেদুজনের ভূমিকাসহ একাধিক চমকে দেওয়া তথ্য। দিন তিনেক আগে অনন্তনাগে গোপনে লুকিয়ে থাকা দানিশকে পাকড়াও করা হয়। তদন্তকারীদের মতে, দিল্লি বিস্ফোরণের পরিকল্পনা টেবিলে বসেই উমরের সঙ্গে মিলিতভাবে তৈরি করেছিলেন তিনি। শুধু পরিকল্পনাই নয়আত্মঘাতী হামলায় অংশ নেওয়ার জন্য মানসিকভাবে নিজেকে প্রস্তুত করছিলেন দানিশ নিজেও। শেষ মুহূর্তে কোনও অজানা কারণে সেই সিদ্ধান্ত আর বাস্তবায়িত হয়নি। কিন্তু তার আগেই হাতেনাতে ধরা পড়ে যায় শ্রীনগরের এই যুবক।তদন্তকারীদের কাছে দানিশ স্বীকার করেছেন, কাশ্মীরের একটি মসজিদে উমরের সঙ্গে প্রথম আলাপ। সেখান থেকেই সম্পর্ক ঘনিয়ে ওঠে। উমরের প্রভাবেই তাঁর মনে জিহাদের পথে পা বাড়ানোর ইচ্ছা জন্মায়। ধীরে ধীরে আত্মঘাতী হামলার জন্য নিজের মনকে তৈরি করতে শুরু করেন তিনি। তদন্তকারীরাও বিস্মিতকারণ দানিশ বুদ্ধিমত্তায় ও প্রযুক্তিগত দক্ষতায় অত্যন্ত চৌকস। ড্রোন, রকেট-লঞ্চারের মতো জটিল অস্ত্র তৈরি করতে তাঁর দক্ষতার কথাও উঠে এসেছে জেরায়। এমনকি, দিল্লি বিস্ফোরণের জন্য ব্যবহৃত মারাত্মক বিস্ফোরক তৈরিও দানিশই নাকি করেছিলেন, যা পরে তিনি তুলে দেন উমরের হাতে।এখন দফায় দফায় জেরা চলছে। দানিশের কাছ থেকে বেরিয়ে আসছে বিস্ফোরণ-কাণ্ডের নেপথ্যের অজানা সুত্র। কিন্তু ঘটনার সঙ্গে সঙ্গে আর-একটি পতন ঘটে দানিশের পরিবারের উপরছেলের বিরুদ্ধে জঙ্গি-যোগের অভিযোগ প্রকাশ্যে আসতেই মানসিক চাপে ভেঙে পড়ে তাঁর বাবা। বাড়ির মধ্যেই আগুন লাগিয়ে আত্মহত্যা করেন তিনি। গোটা এলাকায় নেমে আসে স্তব্ধতা ও শোকের ছায়া।

নভেম্বর ১৮, ২০২৫
দেশ

‘শিক্ষিত জঙ্গি নেটওয়ার্ক’! ডাক্তারদের জইশ সংযোগে কেঁপে উঠেছে গোটা দেশ

দিল্লির লালকেল্লার কাছে ভয়াবহ গাড়ি বিস্ফোরণের পর গোটা দেশজুড়ে শুরু হয়েছে এক নজিরবিহীন অভিযান। তদন্তে উঠে এসেছে এক অভাবনীয় তথ্য এই বিস্ফোরণের নেপথ্যে ছিল তথাকথিত হোয়াইট-কলার টেরর মডিউল, যেখানে যুক্ত ছিলেন একাধিক চিকিৎসক ও চিকিৎসা কর্মী। এই মডিউল জইশ-ই-মহম্মদ ও আনসার গজওয়াত-উল-হিন্দের সঙ্গে যুক্ত বলে সন্দেহ করছে তদন্তকারী সংস্থাগুলি।সূত্রের খবর, বিস্ফোরণের পর থেকেই জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশ একাধিক জেলায় একযোগে অভিযান চালাচ্ছে। শোপিয়ান, কুলগাম ও উপত্যকার বিভিন্ন এলাকায় চলছে চিরুনি তল্লাশি। মূল অভিযুক্ত মৌলভি ইরফান, যিনি শ্রীনগরের সরকারি মেডিকেল কলেজের এক প্যারা মেডিক্যাল কর্মী, তাঁর ঘনিষ্ঠদের বাড়িতেও চলছে তল্লাশি। তদন্তকারীরা মনে করছেন, চিকিৎসক সমাজের মধ্যেই গোপনে জঙ্গি মগজধোলাইয়ের কাজ চালাতেন এই মৌলভি।তদন্তে আরেকটি ভয়ঙ্কর তথ্য সামনে এসেছে ফরিদাবাদ থেকে প্রায় ২,৯০০ কেজি বিস্ফোরক উদ্ধার করেছে নিরাপত্তা বাহিনী। ধারণা করা হচ্ছে, এই বিস্ফোরকই ব্যবহার করার পরিকল্পনা ছিল একাধিক সিরিয়াল ব্লাস্টে। গোটা ষড়যন্ত্রের নকশা তৈরি হয়েছিল একই মডিউলের মাধ্যমে।এই ঘটনায় ইতিমধ্যেই ১৫ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে, আটক আরও তিন জন। ধৃতদের মধ্যে রয়েছেন চিকিৎসক, ইন্টার্ন এবং প্যারা মেডিক্যাল কর্মীও। তাঁদের মধ্যে কয়েকজনের যোগ মিলেছে পাকিস্তানভিত্তিক জইশ-ই-মহম্মদের সঙ্গে।নিরাপত্তা বাহিনীর মতে, এটি ভারতের ইতিহাসে এক নতুন ধরণের সন্ত্রাসের চিত্র যেখানে অস্ত্র নয়, শিক্ষা ও প্রভাব ব্যবহার করা হচ্ছিল ভয় ছড়ানোর অস্ত্র হিসেবে।

নভেম্বর ১২, ২০২৫
দেশ

Modi-Kashmir: মোদির ডাকা বৈঠকে কাশ্মীরকে বিশেষ মর্যাদা ফেরানোর আশ্বাস

২০১৯-এর ঐতিহাসিক সিদ্ধান্তের পর প্রথমবার ফারুক আব্দুল্লা, মেহবুবা মুফতিদের মুখোমুখি হলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, অমিত শাহরা। গত কয়েকদিন ধরে তাই উপত্যকা নিয়ে জল্পনা ছিল তুঙ্গে। বৃহ্স্পতবার দিল্লিতে সাড়ে তিন ঘণ্টা ধরে চলল সেই বৈঠক। কাশ্মীর থেকে ৩৭০ ধারা তুলে নেওয়ার পর যে সব নেতাদের দীর্ঘ দিন বন্দি করে রাখা হয়েছিল, তাঁরাও এ দিন সব সমস্যার কথা খুলে বলেছেন প্রধানমন্ত্রীকে। বৈঠক শেষে এমনটাই জানিয়েছেন কাশ্মীরের নেতারা। সূত্রের খবর, কাশ্মীরকে রাজ্যের তকমা ফেরানো নিয়েও আলোচনা হয়েছে এ দিন। সূত্রের খবর এ দিন বৈঠকে প্রধানমনন্ত্রী বলেছেন, ঠিক সময়ে কাশ্মীরকে রাজ্যের মর্যাদা ফিরিয়ে দেওয়া হবে।আরও পড়ুনঃ মন্ত্রিসভায় অনুমোদন পেল স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ডএ দিন বৈঠক শেষে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ভোট করে উপত্যকায় নির্বাচিত সরকার প্রতিষ্ঠা করা হবে। কাশ্মীর গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার বার্তাও দিয়েছেন তিনি। এ দিনের বৈঠক সম্পর্কে মোদি বলেছেন, কাশ্মীরের নেতা-নেত্রীদের সঙ্গে বৈঠক আদতে উন্নয়নের পথে এক গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। কাশ্মীরের নেতাদের তিনি বলেছেন, কাশ্মীরের মানুষ, বিশেষত যুব সমাজের আশা পূরণ করা হবে।এ দিন বৈঠক থেকে বেরিয়ে কাশ্মীরের আপনি পার্টির নেতা আলতাফ বুখারি বৈঠক শেষে জানিয়েছেন, কাশ্মীরে ভোটের জন্য প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী বলেছেন যে আমরা কাশ্মীরকে রাজ্যের তকমা ফিরিয়ে দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। বৈঠক নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করে বুখার বলেন, ভাল পরিবেশে আজ কথাবার্তা হয়েছে।একই কথা বলেছেন জম্মু ও কাশ্মীরের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ওমর আব্দুল্লা। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দুজনেই আশ্বাস দিয়েছেন যত শীঘ্র সম্ভব রাজ্যের তকমা ফেরানো হবে ও নির্বাচন প্রক্রিয়া শুরু হবে। দিল কি দূরি ও দিল্লি কি দূরি মেটানোর পথে যে কেন্দ্র এগোচ্ছে সে কথাও জানিয়েছেন ওমর আবদুল্লা।বৈঠকে শেষে মেহবুবা মুফতি জানান, তিনি বৈঠকে ৩৭০ ধারা বা স্পেশ্যাল স্টেটাস ফেরানোর পক্ষে সওয়াল করেছেন। তিনি বলেছেন, এটা কাশ্মীরের আত্মপরিচয়ের প্রশ্ন। আমরা এই স্টেটাস পাকিস্তান থেকে পাইনি, ভারত সরকার আমাদের দিয়েছে। নেহরু আমাদের দিয়েছেন। তাই আমরা চাই কয়েক মাস লাগুক বা বছর, ৩৭০ ধারা ফেরাতেই হবে।অন্যদিকে, বৈঠক শেষে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ জানিয়েছেন, কাশ্মীরের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা হয়েছে এ দিন। তিনি উল্লেখ করেন, বৈঠকে প্রত্যেকেই সংবিধানের প্রতি গণতন্ত্রের প্রতি আস্থা রাখার কথা বলেছেন। তিনি টুইটে লিখেছেন, কাশ্মীরের সার্বিক উন্নয়ন নিশ্চিত করতে চাই আমরা। শান্তিপূর্ণভাবে নির্বাচন হবে কাশ্মীরে।

জুন ২৪, ২০২১
দেশ

Jammu-Kashmir-Modi: উপত্যকার রাজনৈতিক নেতাদের সঙ্গে বৈঠক মোদির

ফের জাতীয় রাজনীতিতে আলোচনার শিরোনামে জম্মু-কাশ্মীর (Jammu and Kashmir)। আজ, উপত্যকার রাজনৈতিক নেতাদের নিয়ে সর্বদলীয় বৈঠকে বসতে চলেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Narendra Modi), যা এই সময়ে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বছর দুই আগে জম্মু-কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা প্রত্যাহার করে তাকে দুটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে পরিণত করার পর এই প্রথম প্রধানমন্ত্রীর নিজে সেখানকার রাজনৈতিক নেতাদের সঙ্গে আলোচনায় বসছেন। আজ বিকেল ৩টে নাগাদ দিল্লিতে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনে বৈঠকে যোগ দিতে যাচ্ছেন ফারুক আবদুল্লা, মেহবুবা মুফতিরা। এমন গুরুত্বপূর্ণ আলোচনায় ঠিক কোন কোন বিষয় গুরুত্ব পাবে, তা নিয়ে জল্পনা তুঙ্গে। ইতিমধ্যেই দিল্লিতে তা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়ে গিয়েছে। সূত্রের খবর, রাজনৈতিকভাবে উপত্যকাকে আরও শক্তিশালী করার দিকে বেশি গুরুত্ব দিতে চায় কেন্দ্র। ফলে আলোচনার অভিমুখ হতে পারে তাও।আবার দুটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে ভাগাভাগির জেরে অঞ্চলগুলির পুনর্বিন্যাসে (delimitation) জোর দেওয়ার বিষয়টিও বৈঠকে উঠে আসতে পারে।সবমিলিয়ে, দেশের অন্যতম স্পর্শকাতর জম্মু-কাশ্মীর নিয়ে স্বয়ং প্রধানমন্ত্রীর এই বৈঠকের গুরুত্ব নানাবিধ, যেদিকে তাকিয়ে সেখানকার আমজনতা থেকে রাজনৈতিক মহল।আরও পড়ুনঃ পিএসি সদস্য পদে মুকুলের মনোনয়ন, কটাক্ষ শুভেন্দুর২০১৯ সালের অগাস্টে জম্মু-কাশ্মীরের বিশেষ রাজ্যের মর্যাদা খারিজ করে তাকে দুটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে পরিণত করা হয় জম্মু-কাশ্মীর ও লাদাখ। কেন্দ্রের দাবি, উপত্যকার যথাযথ উন্নয়নের জন্যই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। দাবির পক্ষে-বিপক্ষে যুক্তি-প্রতিযুক্তি রয়েছে এখনও। কেন্দ্রের এই সিদ্ধান্তের সুফল উপত্যকাবাসী আদৌ কতটা পেলেন, তা নিয়ে আলোচনা, সমালোচনাও রয়েছে বিস্তর। এই পরিস্থিতিতেই কাশ্মীর উপত্যকায় বাড়তি নজর দিলেন প্রধানমন্ত্রী নিজে। বৃহস্পতিবার তিনি জম্মু-কাশ্মীরের রাজনৈতিক দলগুলিতে ডেকেছেন বৈঠকে। উপত্যকার মোট ৮ টি রাজনৈতিক দলের ১৪ জন প্রতিনিধি হাজির থাকবেন মোদির বাসভবনের এই আলোচনায়। থাকবেন গুপকার জোটের (Gupkar Alliance) নেতারা অর্থাৎ ন্যাশনাল কনফারেন্সের ফারুক আবদুল্লা, ওমর আবদুল্লা, পিডিপির মেহবুবা মুফতি (Mehbooba Mufti), কংগ্রেসের গুলাম নবি আজাদ। গুপকার জোটের মুখপাত্র তথা উপত্যকার দীর্ঘদিনের সিপিএম নেতা ইউসুফ তারিগামি। বৈঠকের প্রাক্কালে তিনি জানিয়েছেন, আগে শুনব কেন্দ্র কী প্রস্তাব দেয়। তারপর আমরা ভেবেচিন্তে ঠিক করব, কোন পথে এগোবে আলোচনা।আসলে, এই বৈঠকের গুরুত্ব জম্মু-কাশ্মীরের রাজনৈতিক মহলের কাছে অন্যরকম। অনেকেরই দাবি, ৩৭০ ধারা অর্থাৎ জম্মু-কাশ্মীর রাজ্যের বিশেষ মর্যাদা ফিরিয়ে আনা হোক। এদিনের বৈঠকে নেতারা প্রধানমন্ত্রীর কাছে সেই দাবি রাখতে পারেন। বিশেষত কংগ্রেস এই দাবির পক্ষেই নিজেদের মতামত ব্যক্ত করবে বলে সূত্রের খবর। আবার উপত্যকায় নির্বাচনের মাধ্যমে দ্রুত নতুন সরকার গঠনের বিষয়টিও হতে পারে আলোচনার মুখ্য বিষয়।

জুন ২৪, ২০২১
দেশ

Terrorist attack: উপত্যকায় গুলির লড়াইয়ে নিকেশ ১ জঙ্গি

ফের গুলির লড়াইয়ে কাঁপল জম্মু ও কাশ্মীর (Jammu Kashmir)। রাতভর চলা সংঘর্ষের শেষে বুধবার সকালে নিকেশ হয়েছে এক সন্ত্রাসবাদী।পুলিশ সূত্রে খবর, গোপন খবরের ভিত্তিতে মঙ্গলবার রাতে শ্রীনগরের নৌগাওঁ এলাকায় জঙ্গিদের একটি ঘাঁটি ঘিরে ফেলে নিরাপত্তারক্ষীরা। ওই অভিযান চালায় ফৌজ, আধা সামরিক বাহিনী ও পুলিশের একটি যৌথদল। জওয়ানদের উপস্থিতি জানতে পেরে গুলি চালাতে শুরু করে জঙ্গিরা। পালটা হামলা চালান জওয়ানরাও। রাতভর চলা তুমুল সংঘর্ষের পর বুধবার সকালে এক জঙ্গির দেহ উদ্ধার করা হয়েছে। কাশ্মীর পুলিশ জানিয়েছে, এখনও সংঘর্ষস্থলে আরও এক জঙ্গি লুকিয়ে রয়েছে। তার সন্ধানে অভিযান চলছে। ওই এলাকায় ঢোকার ও বের হওয়ার সমস্ত পথ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এখনও পর্যন্ত মৃত জঙ্গির পরিচয় জানা যায়নি। সে কোন জেহাদি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত তা জানার চেষ্টা করছে পুলিশ।উল্লেখ্য, গত শনিবার সোপোরের (Sopore) আরামপোরায় একটি চেকপোস্টে হামলা চালায় পাক মদতপুষ্ট জঙ্গি সংগঠন লস্কর-ই-তইবা। ওই ঘটনায় দুই পুলিশকর্মী এবং দুজন সাধারণ মানুষের মৃত্যু হয়। আহত হন দুজন নিরাপত্তা আধিকারিকও। সম্প্রতি জম্মু-কাশ্মীরে জঙ্গিদের বিরুদ্ধে অভিযানে বেশ বড়সড় সাফল্য পেয়েছিল ভারত। গতমাসেই কেন্দ্রশাসিত প্রদেশটির অনন্তনাগ জেলার কোকেরনাগ এলাকায় নিরাপত্তারক্ষীদের সঙ্গে সংঘর্ষ হয় সন্ত্রাসবাদীদের। সেই গুলির লড়াইয়ে নিকেশ হয়েছিল কুখ্যাত তিন লস্কর জঙ্গি। ঘটনাস্থল থেকে বেশ কয়েকটি অত্যাধুনিক মারণাস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছিল।

জুন ১৬, ২০২১
দেশ

সীমান্তে শহিদ জওয়ান

ফের সংঘর্ষবিরতি লঙ্ঘন করল পাকিস্তান । বুধবার জম্মু ও কাশ্মীরের রাজৌরিতে আচমকাই গোলাগুলি বর্ষণ শুরু করে পাক সেনা। পালটা জবাব দেয় ভারতও। সেই সময়ই পাকিস্তানের সেনার ছোঁড়া গুলিতে শহিদ হলেন এক ভারতীয় জওয়ান। ভারতীয় সেনা সূত্রে জানা গিয়েছে, নিহত জওয়ানের নাম লক্ষ্ণণ। এই নিয়ে নতুন বছরে চার জন জওয়ানের মৃত্যু হল পাক সেনার হামলায়।সেনার এক মুখপাত্র লেফটেন্যান্ট কর্নেল দেবেন্দ্র আনন্দ জানিয়েছেন, এদিন অন্যান্য বারের মতোই কোনও প্ররোচনা ছাড়াই গুলি চালাতে শুরু করে পাক সেনা। তখনই তাদের ছোঁড়া গুলিতে মারাত্মক জখম হন ওই জওয়ান। প্রচুর রক্তক্ষরণ হয় তাঁর। শেষ পর্যন্ত আর বাঁচানো যায়নি তাঁকে। শহিদ জওয়ান সম্পর্কে ওই মুখপাত্র বলেন, লক্ষ্ণণ ছিলেন একজন সাহসী, অনুপ্রাণিত ও কর্তব্যনিষ্ঠ সৈনিক। তাঁর ত্যাগ ও নিষ্ঠার জন্য দেশ তাঁর কাছে চিরকৃতজ্ঞ থাকবে। প্রসঙ্গত, রাজস্থানের যোধপুরের বাসিন্দা ছিলেন লক্ষ্মণ।

ফেব্রুয়ারি ০৪, ২০২১
দেশ

সোপিয়ান থেকে ধৃত ৩ মাদ্রাসা শিক্ষক

জম্মু ও কাশ্মীরের সোপিয়ান থেকে ৩ মাদ্রাসা শিক্ষককে গ্রেফতার করা হল। ধৃতদের নাম আবদুল বাট, মহম্মদ ইউসুফ ওয়ানি ও রউফ বাট। তাদের পিএসএ আইনে গ্রেফতার করা হয়েছে। অভিযোগ, তাদের ওই মাদ্রাসা থেকে জঙ্গি দলে যোগ দিয়েছে ১৩ পড়ুয়া। সোপিয়ান, অনন্তনাগ ও কুলগামের বহু ছাত্র ওই মাদ্রাসাটিতে পড়াশোনা করে। সোপিয়ানের ওই মাদ্রাসাটি থেকে পাস করেছিল সাজাদ বাট। এই সাজাদই ২০১৯ সালের ফেব্রুয়ারিতে পুলওয়ামায় সিআরপিএফ কনভয়ে আত্মঘাতী হামলা চালায়। আরও পড়ুনঃ দৈনিক করোনা সংক্রমণ কমলেও বিপদ এখনও কাটেনি, মন্তব্য প্রধানমন্ত্রীর কাশ্মীর জোনের আইজি বিজয় কুমার জানিয়েছেন, মাদ্রাসাটি চালায় কাশ্মীরে নিষিদ্ধ সংগঠন জামাত-ই-ইসলামি। সিরাজ-উলুম ইমাম সাহিব নামে ওই মাদ্রাসার ৩ শিক্ষকের নামে অভিযোগ আনা হয়েছে। ওই মাদ্রাসাটি বহুদিন ধরেই গোয়েন্দাদের নজরে ছিল। প্রয়োজন হলে ওই মাদ্রাসার বিরুদ্ধেও পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

অক্টোবর ১৪, ২০২০

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

“হে বীর, ফলতায় এসো!” — অভিষেককে খোলা চ্যালেঞ্জ শমীকের, সংখ্যালঘুদের বার্তায় নতুন রাজনৈতিক সমীকরণের ইঙ্গিত

ফলতা বিধানসভা উপনির্বাচন যত এগিয়ে আসছে, ততই তেতে উঠছে দক্ষিণ ২৪ পরগনার রাজনৈতিক পারদ। আগামী ২১ মে ভোটকে সামনে রেখে রবিবার ফলতার মাটিতে দাঁড়িয়ে বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য এমন এক রাজনৈতিক বার্তা দিলেন, যা সরাসরি নিশানায় রাখল তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়-কে।মাত্র ২৪ ঘণ্টা আগেই ফলতায় বিজেপি প্রার্থী দেবাংশু পণ্ডার সমর্থনে প্রচারে এসে মুখ্যমন্ত্রী Suvendu Adhikari তৃণমূল প্রার্থী জাহাঙ্গির খানকে তীব্র আক্রমণ করেছিলেন। সেই উত্তাপ আরও বাড়িয়ে রবিবার শমীক ভট্টাচার্য কার্যত প্রকাশ্য মঞ্চ থেকেই অভিষেককে ফলতায় এসে প্রচারের আমন্ত্রণ জানালেন।কটাক্ষের সুরে শমীক বলেন,পুলিশ নেই, তাই নেতা নেই। কনভয় নেই, তাই হুঙ্কারও নেই। আমরা চাই, অভিষেকবাবু ফলতায় আসুন। আমাদের কর্মীরাই ফুল দিয়ে, শঙ্খ বাজিয়ে তাঁকে স্বাগত জানাবে।এরপরই নাটকীয় ভঙ্গিতে তিনি বলেন,হে বীর, তোমার আসন পূর্ণ করো। তোমাকে আমরা ভীষণ মিস করছি। তুমি এসো।রাজনৈতিক মহলের মতে, এই মন্তব্যে যেমন ব্যঙ্গ রয়েছে, তেমনই রয়েছে সরাসরি চ্যালেঞ্জও। কারণ, গত লোকসভা নির্বাচনে ফলতা কেন্দ্র থেকেই এক লক্ষেরও বেশি ভোটের লিড পেয়েছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই ফলের নেপথ্যের অন্যতম সংগঠক হিসেবেই পরিচিত তৃণমূল প্রার্থী জাহাঙ্গির খান। অথচ এবারের প্রচারে অভিষেকের অনুপস্থিতি নিয়েই প্রশ্ন তুলছে বিজেপি।শমীকের দাবি, রাজ্যে ক্ষমতা হারানোর ধাক্কায় তৃণমূলের অন্দরেই নাকি এখন ভাঙনের সুর। তাঁর ভাষায়,সোনার টুকরো ভাইদের সোনার সংসার ভেঙে গুঁড়িয়ে গিয়েছে। তাই আজ কেউ আর মাঠে নামছে না।তবে রাজনৈতিক আক্রমণের পাশাপাশি ফলতার মাটি থেকেই সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের উদ্দেশে তুলনামূলক নরম বার্তা দেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি। তিনি বলেন,আপনাদের সঙ্গে আমাদের কোনও বিরোধ নেই। এই দেশকে নিজের দেশ বলে ভাবুন। বিজেপি আপনাদের পাশে আছে।একই সঙ্গে তিনি সতর্কবার্তাও দেন, কিছু মানুষ বিভাজনের রাজনীতি করে নিজেদের পরিচয় তৈরি করতে চাইছে। তাদের পরিচয়ে নিজেদের পরিচিত করবেন না।রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, সংখ্যালঘু ভোটব্যাঙ্কে বিজেপির এই বার্তা নিছক আবেগের আবেদন নয়, বরং ভবিষ্যতের বৃহত্তর নির্বাচনী কৌশলের অংশ।দক্ষিণ ২৪ পরগনায় অতীতে বিজেপি কর্মীদের উপর অত্যাচারের অভিযোগও ফের তুলেছেন শমীক। তাঁর বক্তব্য,অনেক বাধা এসেছে, তবু বিজেপি কর্মীরা লড়াই চালিয়ে গিয়েছেন। আজ যারা বড় বড় কথা বলত, তারা ঘরের ভিতরে বসে শ্যাডো প্র্যাকটিস করছে।নাম না করেই অভিষেককে কটাক্ষ করে তাঁর মন্তব্য,যাঁরা একসময় ডিজে বাজানোর কথা বলতেন, তাঁরা এখন ঘরের ভিতরে হারমোনিয়াম বাজাচ্ছেন।ফলতার তৃণমূল নেতৃত্বকে প্রকাশ্যে সভা-মিছিল করারও আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। বলেন, বিজেপির পক্ষ থেকে কোনও বাধা আসবে না। তবে একই সঙ্গে স্পষ্ট ঘোষণা করেনতৃণমূলের রাজ্যে ফেরার সম্ভাবনা নেই। গঙ্গার জল রাইটার্সের দোতলায় উঠতে পারে, আকাশ নবান্নে নেমে আসতে পারে, কিন্তু তৃণমূল আর ক্ষমতায় ফিরবে না।দক্ষিণ ২৪ পরগনাকে পরিযায়ী শ্রমিকের জেলা থেকে মুক্ত করার প্রতিশ্রুতিও দিয়েছেন শমীক। বিজেপি সরকার অদূর ভবিষ্যতে কর্মসংস্থানের নতুন দরজা খুলবে বলেও দাবি করেন তিনি।ফলতার রাজনৈতিক লড়াই এখন কার্যত মর্যাদার লড়াইয়ে পরিণত হয়েছে। একদিকে তৃণমূলের পুরনো সংগঠনশক্তি, অন্যদিকে বিজেপির আগ্রাসী প্রচারএই টানাপোড়েনের মাঝে শমীকের হে বীর, এসো ডাক রাজনৈতিক তরজাকে আরও কয়েকগুণ উসকে দিল বলেই মত রাজনৈতিক মহলের।

মে ১৭, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

২২ বছরের অপেক্ষা শেষ হবে? ডার্বির আগে ট্রফি জয়ের হুঙ্কার ইস্টবেঙ্গল কোচের

দেশের সর্বোচ্চ লিগ জয়ের জন্য ইস্টবেঙ্গল সমর্থকদের অপেক্ষা দীর্ঘ ২২ বছরের। শেষবার ২০০৩-০৪ মরশুমে দেশের সেরা হয়েছিল লাল-হলুদ। তারপর আইলিগ থেকে দেশের প্রধান লিগ হয়ে যায় আইএসএল। কিন্তু এত বছরেও লিগ ট্রফি ঢোকেনি ইস্টবেঙ্গল তাবুতে। কয়েকবার সুযোগ এসেও হাতছাড়া হয়েছে সাফল্য। সেই দীর্ঘ হতাশা ও যন্ত্রণা খুব ভালভাবেই অনুভব করছেন ইস্টবেঙ্গলের কোচ অস্কার ব্রুজো।ডার্বির আগে সাংবাদিক বৈঠকে আবেগঘন বার্তা দিলেন লাল-হলুদ কোচ। তিনি বলেন, একজন সমর্থকের কষ্ট তিনি বোঝেন। ক্লাবে তাঁর ভবিষ্যৎ কী হবে বা তিনি থাকবেন কি না, এই সব নিয়ে এখন ভাবছেন না। তাঁর একমাত্র লক্ষ্য ইস্টবেঙ্গলকে আবার ট্রফি জেতানো।অস্কার ব্রুজো বলেন, দেড় বছর আগে যে জায়গায় ছিল ইস্টবেঙ্গল, এখন সেই পরিস্থিতি অনেক বদলেছে। গত কয়েক বছরে দল কঠিন সময়ের মধ্যে দিয়ে গিয়েছে। তার প্রভাব পড়েছিল ফুটবলারদের মানসিকতার উপরেও। তবে এখন ধীরে ধীরে দল ঘুরে দাঁড়িয়েছে এবং জয়ের মানসিকতা তৈরি হয়েছে।এর পাশাপাশি ইস্টবেঙ্গলের প্রতি নিজের আবেগও লুকোননি ব্রুজো। তিনি স্পষ্ট বলেন, তিনি নিজেকে ইস্টবেঙ্গলের বড় সমর্থক বলেই মনে করেন। তাঁর কথায়, আমার ভেতরে লাল-হলুদ রংই রয়েছে। সমর্থকদের দুঃখ, হতাশা, যন্ত্রণা সবটাই বুঝি। গত কয়েক বছরে কী হয়েছে, তা আমি জানি। প্রায় দুদশক আমরা লিগ পাইনি। কিন্তু এখন আমরা খেতাব জয়ের খুব কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছি।ডার্বির গুরুত্ব নিয়েও মুখ খুলেছেন ইস্টবেঙ্গল কোচ। তিনি বলেন, এই ম্যাচ দল এবং সমর্থকদের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ভবিষ্যতেও এভাবেই সাফল্যের পথে এগিয়ে যেতে চায় ইস্টবেঙ্গল।বর্তমানে আইএসএল লিগ তালিকার শীর্ষে রয়েছে বেঙ্গালুরু। তেরো ম্যাচে তাদের পয়েন্ট তেইশ। যদিও ইস্টবেঙ্গল এবং মোহনবাগানের থেকে দুটি বেশি ম্যাচ খেলেছে তারা। এগারো ম্যাচে ইস্টবেঙ্গল ও মোহনবাগানের পয়েন্ট বাইশ। গোল পার্থক্যে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে লাল-হলুদ, তৃতীয় স্থানে সবুজ-মেরুন। ফলে এই ডার্বি ম্যাচ লিগ জয়ের লড়াইয়ে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। যে দল জিতবে, তারাই ট্রফির দিকে অনেকটা এগিয়ে যাবে।

মে ১৭, ২০২৬
বিদেশ

ইরানে ফের হামলার প্রস্তুতি? ট্রাম্পের মন্তব্য ঘিরে বাড়ছে যুদ্ধের আশঙ্কা

ইরানকে নিয়ে আপাতত কিছুটা নরম অবস্থান নিয়েছে আমেরিকা। তবে সেই বিরতি যে সাময়িক, এমনই ইঙ্গিত মিলছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বক্তব্যে। চিন সফর সেরে ওয়াশিংটনে ফেরার পথে এয়ার ফোর্স ওয়ান-এ সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ট্রাম্প জানান, এই মুহূর্তে আমেরিকা ইরানের উপর হামলা চালাতে চায় না। তবে প্রয়োজন হলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি বদলাতে পারে বলেও ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি।ট্রাম্পের দাবি, হোয়াইট হাউস যুদ্ধবিরতিতে রাজি হয়েছে মূলত পাকিস্তানের অনুরোধে। তিনি বলেন, পাকিস্তানের ফিল্ড মার্শাল এবং প্রধানমন্ত্রীর অনুরোধের কথা ভেবেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। যদিও ব্যক্তিগতভাবে তিনি এই যুদ্ধবিরতির পক্ষে ছিলেন না বলেও জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।এদিকে আমেরিকার প্রতিরক্ষা দফতর পেন্টাগন ঘিরে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে। সূত্রের খবর, অপারেশন এপিক ফিউরি ২ নামে একটি বড় সামরিক অভিযানের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। মার্কিন প্রতিরক্ষা সচিব পিট হেগসেথ সম্প্রতি কংগ্রেসের এক শুনানিতে জানিয়েছেন, পরিস্থিতি খারাপ হলে আরও বড় পদক্ষেপ নেওয়ার মতো সব পরিকল্পনাই তৈরি রয়েছে।তবে আপাতত কিছুটা সময় নিতে চাইছে ওয়াশিংটন। পুরোপুরি প্রস্তুতি নিয়েই পরবর্তী পদক্ষেপ করতে চায় তারা। যদিও আরব দুনিয়ার দুই শীর্ষ আধিকারিকের দাবি, আগামী সপ্তাহের শুরুতেই ইরানের উপর নতুন করে হামলা চালাতে পারে আমেরিকা। সেই সম্ভাবনার কথা মাথায় রেখেই মার্কিন ও ইজরায়েলি বাহিনী যৌথভাবে প্রস্তুতি শুরু করেছে বলেও খবর।ইরান ও আমেরিকার মধ্যে সরাসরি শান্তি আলোচনা না হলেও পাকিস্তান মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করছে বলে জানা গিয়েছে। তবে আন্তর্জাতিক মহলের একাংশের দাবি, ট্রাম্প প্রকাশ্যে শান্তির কথা বললেও ভিতরে ভিতরে নতুন সামরিক অভিযানের ছক কষছে ওয়াশিংটন।সম্প্রতি তিন দিনের চিন সফরে গিয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সফরে চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে একাধিক বৈঠক করেন তিনি। বৈঠকের পর ট্রাম্প জিনপিংকে অসাধারণ নেতা বলেও প্রশংসা করেন। পাশাপাশি তিনি দাবি করেন, ইরানের হাতে পারমাণবিক অস্ত্র থাকা যে বিপজ্জনক, সেই বিষয়ে আমেরিকা ও চিন একই মত পোষণ করছে।

মে ১৭, ২০২৬
বিদেশ

হাজার বছরের হারানো ঐতিহাসিক সম্পদ ফিরল ভারতে! নেদারল্যান্ড সফরে বড় সাফল্য মোদীর

নেদারল্যান্ড সফরে বড় সাফল্য পেল ভারত। দীর্ঘদিন ধরে ডাচদের কাছে থাকা চোল যুগের প্রায় এক হাজার বছরের পুরনো তাম্রলিপি এবার ফিরছে ভারতের ঘরে। নেদারল্যান্ড সফরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর হাতেই সেই ঐতিহাসিক নিদর্শন তুলে দেওয়া হয়েছে। এই ঘটনাকে বড় কূটনৈতিক সাফল্য হিসেবেই দেখছে রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক মহল।চোল যুগের এই তাম্রলিপিগুলি বহু বছর ধরে নেদারল্যান্ডসের লাইডেন বিশ্ববিদ্যালয়ে সংরক্ষিত ছিল। ইউরোপে এগুলি লাইডেন প্লেটস নামেও পরিচিত। ভারতের তরফে ২০১২ সাল থেকেই এই ঐতিহাসিক সম্পদ ফেরত চাওয়া হচ্ছিল। অবশেষে সেই দাবি মেনে নেদারল্যান্ডস সরকার তাম্রলিপিগুলি ভারতের হাতে তুলে দিল।তাম্রলিপি ফিরে পাওয়ার পর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী সমাজমাধ্যমে আনন্দ প্রকাশ করেন। তিনি ওই ঐতিহাসিক নিদর্শনের ছবিও শেয়ার করেন। প্রধানমন্ত্রী জানান, এই তাম্রলিপি ফিরিয়ে আনা প্রত্যেক ভারতীয়ের জন্য গর্বের মুহূর্ত। অনুষ্ঠানে নেদারল্যান্ডসের প্রধানমন্ত্রী রব জেটেনও উপস্থিত ছিলেন।জানা গিয়েছে, চোল যুগের এই তাম্রলিপিতে রয়েছে একুশটি বড় এবং তিনটি ছোট ফলক। বেশিরভাগ লেখাই তামিল ভাষায় খোদাই করা। সেখানে চোল সাম্রাজ্যের ইতিহাস, সংস্কৃতি এবং গৌরবের নানা তথ্য উল্লেখ রয়েছে। ইতিহাসবিদদের মতে, এগুলি চোল সাম্রাজ্যের সবচেয়ে মূল্যবান ঐতিহাসিক নথিগুলির মধ্যে অন্যতম।প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী নেদারল্যান্ডস সরকার এবং লাইডেন বিশ্ববিদ্যালয়কে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, উনিশ শতকের মাঝামাঝি সময় থেকে এই তাম্রলিপিগুলি যত্ন করে সংরক্ষণ করা হয়েছে।উল্লেখযোগ্যভাবে, নেদারল্যান্ডসে পৌঁছেই প্রধানমন্ত্রী প্রবাসী ভারতীয়দের সঙ্গে দেখা করেন। একটি অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি বিশ্ব অর্থনীতি নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তাঁর মতে, বর্তমান সময় বিশ্ব অর্থনীতির জন্য অত্যন্ত কঠিন এবং চ্যালেঞ্জপূর্ণ। সফরের সময় নেদারল্যান্ডসের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে একাধিক বিষয়ে বৈঠকও করেন মোদী। দুই দেশের মধ্যে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ চুক্তিও স্বাক্ষরিত হয়েছে।

মে ১৭, ২০২৬
রাজ্য

বাংলায় ঢুকছে বর্ষার বড় ইঙ্গিত! উত্তরবঙ্গে লাল সতর্কতা, ভিজবে একাধিক জেলা

আন্দামানে বর্ষা প্রবেশ করার পর থেকেই বাংলার আবহাওয়ায় বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত মিলছে। আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, নির্ধারিত সময়ের আগেই আগামী ২৬ মে কেরলে প্রবেশ করতে পারে বর্ষা। এরই মধ্যে মধ্যপ্রদেশ থেকে উত্তর বাংলাদেশ পর্যন্ত একটি নিম্নচাপ অক্ষরেখা তৈরি হয়েছে। সেই অক্ষরেখা উত্তরবঙ্গের উপর দিয়েই বিস্তৃত রয়েছে। এর জেরেই উত্তরবঙ্গের একাধিক জেলায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে হাওয়া অফিস।রবিবার থেকেই উত্তরবঙ্গে বৃষ্টির দাপট আরও বাড়তে পারে বলে জানানো হয়েছে। আলিপুরদুয়ার জেলায় জারি করা হয়েছে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির লাল সতর্কতা। পাশাপাশি দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি এবং কোচবিহারেও বিক্ষিপ্তভাবে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। উত্তরবঙ্গের আটটি জেলাতেই বজ্রবিদ্যুৎসহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। সেই সঙ্গে ঘণ্টায় চল্লিশ থেকে পঞ্চাশ কিলোমিটার বেগে দমকা হাওয়াও বইতে পারে। সোমবারও জলপাইগুড়ি ও কোচবিহারে ভারী বৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর। তবে মঙ্গলবার থেকে পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হতে পারে।অন্যদিকে দক্ষিণবঙ্গে এখনই ভারী বৃষ্টির কোনও সম্ভাবনা নেই। রবিবার থেকে আগামী বৃহস্পতিবার পর্যন্ত দক্ষিণবঙ্গের বেশিরভাগ জেলাতেই তাপমাত্রা বাড়বে বলে পূর্বাভাস। তবে বীরভূম, মুর্শিদাবাদ, বর্ধমান, পুরুলিয়া ও ঝাড়গ্রামের মতো পশ্চিমের জেলাগুলিতে স্থানীয়ভাবে বজ্রগর্ভ মেঘ তৈরি হতে পারে। তার প্রভাবে কোথাও কোথাও হালকা বৃষ্টি এবং ঝোড়ো হাওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে। ঘণ্টায় তিরিশ থেকে পঞ্চাশ কিলোমিটার বেগে হাওয়া বইতে পারে।কলকাতাতেও গরম ও অস্বস্তি বজায় থাকবে। এদিন শহরের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা পঁয়ত্রিশ ডিগ্রির আশপাশে থাকতে পারে। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকতে পারে সাতাশ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি। আকাশ আংশিক মেঘলা থাকতে পারে। কোথাও কোথাও সামান্য হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকলেও গরম থেকে এখনই স্বস্তির আশা নেই।

মে ১৭, ২০২৬
রাজ্য

মাঝরাতে সরকারি হাসপাতালে হানা স্বাস্থ্যসচিবের! দেখে হতবাক চিকিৎসকরা

মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর বৈঠকের মাত্র বাহাত্তর ঘণ্টার মধ্যেই অ্যাকশন মোডে নামল স্বাস্থ্যদপ্তর। শনিবার গভীর রাতে শহরের পাঁচটি সরকারি মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে হঠাৎ করেই পরিদর্শনে যান স্বাস্থ্যসচিব নারায়ণস্বরূপ নিগম। এই আকস্মিক সফর ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়ায় হাসপাতালগুলিতে। স্বাস্থ্যদপ্তরের বার্তা স্পষ্ট, শুধু নির্দেশ নয়, এবার বাস্তবে কাজ দেখতে চায় নতুন সরকার।শনিবার রাত প্রায় বারোটার সময় নীল রঙের টি-শার্ট পরে আর জি কর মেডিক্যাল কলেজে পৌঁছন স্বাস্থ্যসচিব। সেখানে উপস্থিত ছিলেন হাসপাতালের অধ্যক্ষ মানসকুমার বন্দ্যোপাধ্যায়, সুপার সপ্তর্ষি চট্টোপাধ্যায় এবং সহকারী সুপার দৈপায়ন বিশ্বাস। ট্রমা কেয়ার থেকে শুরু করে জেনারেল মেডিসিন ও সার্জারি বিভাগের একাধিক ওয়ার্ড ঘুরে দেখেন তিনি। রোগীদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলেন এবং তাঁদের কোনও সমস্যা হচ্ছে কি না, তা জানতে চান।পরিদর্শনের সময় হাসপাতালের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা নিয়ে কড়া নির্দেশ দেন স্বাস্থ্যসচিব। তিনি বলেন, কোথাও যেন ময়লা না থাকে। প্রতিটি ওয়ার্ডের বাথরুম নিয়মিত পরিষ্কার করতে হবে। প্রয়োজন হলে অতিরিক্ত কর্মী নিয়োগ করারও নির্দেশ দেন তিনি।এরপর রাতেই নীলরতন সরকার মেডিক্যাল কলেজ, ন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজ এবং এসএসকেএম হাসপাতালেও যান স্বাস্থ্যসচিব। কলকাতা মেডিক্যাল কলেজে গিয়ে অধ্যক্ষ ইন্দ্রনীল বিশ্বাসের সঙ্গে বৈঠক করেন। সেখানে যেসব রোগী বেড না পেয়ে বাইরে অপেক্ষা করছিলেন, তাঁদের সঙ্গে কথা বলেন এবং দ্রুত বেডের ব্যবস্থা করার নির্দেশ দেন।স্বাস্থ্যসচিব আরও নির্দেশ দিয়েছেন, আগামী চব্বিশ ঘণ্টার মধ্যে হাসপাতালগুলিতে লাইভ বেড স্ক্রিনিং ব্যবস্থা চালু করতে হবে। সেই স্ক্রিনে কোন হাসপাতালে কত বেড খালি রয়েছে, তা দেখা যাবে। এমনকী কেন্দ্রীয় সরকারি হাসপাতালের খালি বেডের তথ্যও সেখানে দেখানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।হাসপাতালগুলিতে পানীয় জলের ব্যবস্থাও খতিয়ে দেখেন স্বাস্থ্যসচিব। তিনি জানতে চান, রোগী ও তাঁদের পরিবারের জন্য দেওয়া জল আদৌ পানযোগ্য কি না। প্রতি মাসে সেই জলের মান পরীক্ষা করার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। পাশাপাশি কলকাতা পুরসভাকে প্রতি সপ্তাহে পানীয় জলের গুণমান পরীক্ষা করতে বলা হয়েছে।উল্লেখ্য, শুক্রবার এসএসকেএমের একাডেমিক ভবনে স্বাস্থ্যব্যবস্থা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সেখানে দালালরাজ বন্ধ করা, রোগীদের রেফার কমানো এবং কাউকে যেন চিকিৎসা না পেয়ে ফিরে যেতে না হয়, সেই বিষয়ে একাধিক কড়া নির্দেশ দিয়েছিলেন তিনি। তার পরেই স্বাস্থ্যসচিবের এই রাতের পরিদর্শন বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে প্রশাসনিক মহল।

মে ১৭, ২০২৬
রাজ্য

মাঠে পড়ে ছিল স্তূপের পর স্তূপ ভোটার কার্ড! বীরভূমে চাঞ্চল্য, আটক বিএলও

বীরভূমের নানুরে বিপুল পরিমাণ ভোটার কার্ড উদ্ধার ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। রবিবার সকালে কীর্নাহারের পশ্চিম পাড়া এলাকার একটি মাঠ থেকে প্রচুর ভোটার কার্ড উদ্ধার করে পুলিশ। স্থানীয়দের দাবি, মাঠে স্তূপ করে পড়ে ছিল সেইসব কার্ড। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক হইচই পড়ে যায়।স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, সকালে কাজে যাওয়ার সময় কয়েকজন বাসিন্দার নজরে আসে মাঠের মধ্যে ছড়িয়ে থাকা ভোটার কার্ডগুলি। সঙ্গে সঙ্গে খবর দেওয়া হয় কীর্নাহার থানায়। পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে সমস্ত কার্ড উদ্ধার করে তদন্ত শুরু করে।পুলিশ সূত্রে খবর, যে মাঠ থেকে ভোটার কার্ডগুলি উদ্ধার হয়েছে, তার পাশেই এক বিএলও-র বাড়ি রয়েছে। তদন্তে নেমে পুলিশ ওই বিএলও-কে আটক করে থানায় নিয়ে যায়। তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে।তদন্তে উঠে এসেছে, পূর্ব বর্ধমানের কেতুগ্রাম ব্লকের চিনিশপুর গ্রামের এক প্রাক্তন বিএলও বর্তমানে কীর্নাহারের পশ্চিম পাড়ায় থাকেন। তিনি বিএলও হিসেবে কাজ করার সময় পুরনো ভোটার কার্ড সংগ্রহ করে নতুন কার্ড দিয়েছিলেন বাসিন্দাদের। নিয়ম অনুযায়ী পুরনো কার্ড নির্বাচন কমিশনের দফতরে জমা দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু অভিযোগ, সেই কার্ড জমা না করে নিজের কাছেই রেখে দিয়েছিলেন তিনি।পুলিশের অনুমান, পরে সেই পুরনো ভোটার কার্ডই মাঠের ধারে ফেলে দেওয়া হয়। কেন তিনি এই কাজ করলেন এবং কেন কার্ডগুলি জমা দেওয়া হয়নি, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।এসআইআর নিয়ে যখন বীরভূমে নাম বাদ পড়া নিয়ে বিতর্ক চলছে এবং বহু মানুষ ট্রাইবুনালের দ্বারস্থ হয়েছেন, ঠিক সেই সময় বিপুল ভোটার কার্ড উদ্ধারের ঘটনায় নতুন করে রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে।

মে ১৭, ২০২৬
কলকাতা

অভিষেকের পর এবার রাজীব, কুণাল, শোভনদেব! একে একে নিরাপত্তা সরাল সরকার

রাজ্যে সরকার বদলের পর এবার একের পর এক তৃণমূল নেতার নিরাপত্তায় কাটছাঁট করা শুরু হল। প্রথমে তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ির সামনে থেকে পুলিশি নিরাপত্তা তুলে নেওয়া হয়েছিল। এবার সেই তালিকায় যোগ হল রাজীব কুমার, শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়, কুণাল ঘোষ-সহ আরও একাধিক নেতার নাম।প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে, তৃণমূলের অন্তত ১০ জন নেতা ও প্রাক্তন মন্ত্রীর বাড়ি থেকে হাউস গার্ড সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। লালবাজারের তরফে এই সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হয়েছে। রাজ্য বিজেপি সরকার গঠনের পর থেকেই তৃণমূল নেতাদের অতিরিক্ত নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছিল।অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় আগে রাজ্য সরকারের তরফে বিশেষ নিরাপত্তা পেতেন। তাঁর বাড়ির সামনে সবসময় মোতায়েন থাকত পুলিশ। কিন্তু নতুন সরকারের দাবি, তিনি একজন সাংসদ হিসেবে যতটা নিরাপত্তা পাওয়ার কথা, এবার থেকে ঠিক ততটাই পাবেন। এর বেশি নয়। সেই বার্তাই আগেই দিয়েছিল লালবাজার।এবার রাজ্যসভার সাংসদ রাজীব কুমার, সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়, বর্তমান বিরোধী দলনেতা শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় এবং বিধায়ক কুণাল ঘোষের বাড়ি থেকেও হাউস গার্ড সরিয়ে নেওয়া হয়েছে বলে খবর। পাশাপাশি চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য, অরূপ বিশ্বাস এবং সুব্রত বক্সীর নামও রয়েছে এই তালিকায়।প্রশাসনের দাবি, তৃণমূল আমলে অনেক নেতা প্রয়োজনের তুলনায় বেশি নিরাপত্তা পেতেন। এখন পদ ও দায়িত্ব অনুযায়ী নিরাপত্তা দেওয়া হবে। রাজীব কুমার ও কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় সাংসদ হিসেবে নিরাপত্তা পাবেন। কুণাল ঘোষ বিধায়ক হিসেবে নিরাপত্তা পাবেন। অন্যদিকে অরূপ বিশ্বাস ও শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় বর্তমানে মন্ত্রী নন। অরূপ বিশ্বাস ভোটেও পরাজিত হয়েছেন। সেই কারণেই তাঁদের নিরাপত্তায় কাটছাঁট করা হয়েছে বলে প্রশাসন সূত্রে খবর।এছাড়াও ডিরেক্টর অব সিকিউরিটি পীযূষ পাণ্ডের নিরাপত্তাতেও কাটছাঁট করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। আগে তিনি ভারপ্রাপ্ত ডিজিপির দায়িত্বে ছিলেন।

মে ১৭, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal